Sunday, March 24, 2019

Pelvic Inflammatory Disease (P.I.D)

Pelvic Inflammatory Disease (P.I.D)
পিআইডি নারীদের যৌনবাহিত গুরুতর রোগগুলির মধ্যে একটি: এটার জন্য জরায়ু, ডিম্বাশয়, ফ্যালোপিয়ান টিউব বা নারী প্রজননতন্ত্রের অন্যান্য অংশে মারাক্তক ক্ষতি হতে পারে এবং নারীদের মধ্যে বন্ধ্যাত্বের প্রাথমিক একটি কারণ।
এ রোগের অনেক গুলো কারণের মধ্যে যৌন রোগ যেমন-গণোরিয়া, ক্ল্যামাইডিয়া (Chlamydia) সংক্রমন উল্লেখযোগ্য ৷ স্বামীর যদি যৌন রোগ থাকে তাহলেও হতে পারে৷ শতকরা ৬০-৭০ ভাগ ক্ষেত্রে পি আই ডি যৌন রোগের সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত ৷
• জনন অঙ্গে যক্ষ্মার জীবাণুর সংক্রমণেও পি আই ডি হতে পারে ৷
• মদ্যপান, ড্রাগ আসক্তি, একাধিক যৌন সঙ্গীর কারণে পি আই ডি হয়ে থাকে ৷


অন্যান্য কারণের মধ্যে-
• অল্প বয়সে যৌন জীবন শুরু,
• মাসিকের সময় সহবাস,
• অস্বাস্থ্যকর ও অদক্ষ ভাবে গর্ভপাত করা এবং ডেলিভারি করানো,
• ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে কনডম ব্যবহার না করা,
• স্ত্রী জনন অঙ্গের কোন অপারেশনের পর, লুপ বা কপারটি পরাবার পর এই প্রদাহ হতে পারে ৷
সাধারনত ১৪-২৫ বছর বয়সের মহিলারা পি আই ডিতে বেশি আক্রান্ত হয়৷ অশিক্ষিত, দরিদ্র মহিলাদের মধ্যে এ রোগের প্রকোপ বেশি কারণ তাদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা খুবই কম ৷
রোগের লক্ষণ-
• তলপেটের মারাত্মক প্রদাহ।
• তলপেটে তীব্র ব্যথা হওয়া ৷ এই ব্যথা কোমরে এবং বাহুতে বিস্তার করতে পারে ৷
• তলপেটে ভারি ভারি অনুভব করা
* সহবাসে এবং জরায়ু ও জরায়ু মুখ স্পর্শ করলে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা ৷
• অস্বাভাবিক স্রাব হলুদ বা সবুজ রং বা যে একটি অস্বাভাবিক গন্ধ লক্ষ করা যায় ।
• যোনিপথে দুর্গন্ধ যুক্ত সাদাস্রাব বা পুঁজ নির্গত হওয়া
• প্রস্রাব করার সময় ব্যথা, জ্বালা-যন্ত্রণা করতে থাকে ৷
• মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হতে পারে ৷
• শরীরে সব সময় জ্বর থাকতে পারে ৷
• মাথাব্যথা, বমিভাব, পেটফাঁপা হতে পারে ৷
• খেতে অরুচি এবং স্বাস্থ্য ক্ষীন হয়ে যেতে পারে ৷
পরীক্ষা-
রক্তের রুটিন পরীক্ষা করতে হবে৷ জরায়ু মুখের রস পরীক্ষা করলে গণোরিয়ার জীবাণু পাওয়া যেতে পারে ৷ ট্রান্সভ্যাজাইনাল আলট্রাসনোগ্রাম ও ল্যাপারোস্কোপি করলে আরো সঠিক ভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব৷ কিছু কিছু সমস্যা আছে যাদের লক্ষণ তলপেটের মারাত্মক প্রদাহের বা পি আই ডির মতো মনে হতে পারে যেমন - একিউট এপেনডিসাইটিস, মূত্র নালীর তীব্র প্রদাহ, জরায়ুর বাইরে গর্ভ ধারন বা এক্টোপিক প্রেগনেন্সি, সেপটিক অ্যাবরশন বা গর্ভপাত ইত্যাদি ৷ এ ক্ষেত্রে দ্রুত পরীক্ষা করে সঠিক কারণ নির্ণয় করতে হবে ৷
চিকিৎসা-
তলপেটের মারাত্মক প্রদাহের বা পি আই ডির লক্ষণ গুলো দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে ৷ তলপেটের মারাত্মক প্রদাহের বা পি আই ডি রোগীর যৌন সঙ্গীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও যৌন রোগ নির্ণয় করে উপযুক্ত  চিকিৎসা করাতে হবে ৷ যৌন সঙ্গীর সঠিক চিকিৎসা না হলে রোগিণী আবার আক্রান্ত হয়ে পড়বে৷ গর্ভাবস্থায় তলপেটের মারাত্মক প্রদাহ বা পি আই ডি হলে গর্ভবতীকে অবশ্যই  চিকিৎসা করাতে হবে ৷ গর্ভবতীর দ্রুত এবং সঠিক চিকিৎসা না হলে মা ও শিশু নানা রকম জটিলতার শিকার হবে, এমনকি শিশুর মৃত্যুও হতে পারে ৷
প্রতিরোধ ব্যবস্থা
তলপেটের মারাত্মক প্রদাহ বা পি আই ডি রোগীর উপযুক্ত চিকিৎসা করা না হলে পরবর্তীতে বন্ধ্যাত্ব এবং অন্যান্য জটিলতা দেখা দেয় ৷ সে জন্য যৌনরোগ গুলির প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা দিলে পি আই ডি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে হ্রাস করা সম্ভব ৷ বাচ্চা হওয়ার পর বা গর্ভপাতের পর বিশেষ পরিচ্ছন্নতা দরকার ৷ মাসিকের সময় কাপড় বা ন্যাপকিন যাই ব্যবহার করা হোকনা কেন তা অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে৷ একবার ব্যবহার করা জিনিস কখনই দ্বিতীয় বার ব্যবহার করা যাবেনা ৷ প্রতিবার বাথরুমে যাওয়ার পর যৌনাঙ্গ ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে৷ ঝুঁকিপূর্ণ সহবাসে কনডম ব্যবহার করতে হবে ৷ মনে রাখতে হবে, কনডম যৌনরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে ৷
হোমিওপ্যাথিতে লক্ষণানুসারে চিকিৎসা করা হয় সকল রোগের । তাই এ রোগেরও লক্ষণানুসারে চিকিৎসা করা হয়।

Dr. Faridul Islam Shohag 
D.H.M.S (BHB-Dhaka)
P.D.T (Homeopathic Medicine)
M.P.H (Nutrition). 
Consultant, Homeopathic Medicine & Nutrition.

Thursday, March 21, 2019

কিডনি পাথর (Kidney Stone)

কিডনি পাথর হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে এবং এটা মূত্রনালীর যে কোন অংশকে প্রভাবিত করতে পারে - কিডনি থেকে মূত্রাশয় পর্যন্ত।
• স্বল্পমুত্র
• শরীরে ভিটামিন এ এর ঘাটতি।
• প্রস্রাবে বিভিন্ন মাত্রায় লবণের আধিক্য।
• গরম আবহাওয়া।
• হরমোনের অসমতার কারণে প্রস্রাবে সাইট্রেটের পরিমাণ কমে যাওয়া।
• মূত্রথলিতে দীর্ঘ সময় প্রস্রাব জমে থাকা এবং পর্যাপ্ত প্রস্রাব না হওয়া।
• প্রস্রাবের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা বা প্রস্রাবের বেগ না থাকা • প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা।
• কিডনিতে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ ও সংক্রমণ।
• কিছু ঔষধ বা অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম এর জন্য।

পাথর গঠনকারী উপাদানের ওপর নির্ভর করে কিডনি পাথর বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
• ক্যালসিয়াম অক্সালেট (Calcium Oxalate Stone)
• ক্যালসিয়াম ফসফেট (Calcium Phosphate Stone)
• ইউরিক এসিড (Uric Acid)
• সিস্টিন (Cystine)

প্রস্রাবে দ্রবীভূত ক্যালসিয়াম অক্সালেট, ফসফেট, ট্রিপল-ফসফেট, ইউরিক এসিড, সিস্টিন, সালফার প্রভৃতি পদার্থ প্রস্রাবের সঙ্গে কিডনিতে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে। এভাবে দীর্ঘ সময় অবস্থানের পর পাথরের আকার ধারণ করে এবং দিন দিন বড় হতে থাকে।
নারীদের চেয়ে পুরুষদের পাথর হওয়ার ঘটনা কিছুটা বেশি। সব পাথর উপসর্গ তৈরি করে না। ফসফেট পাথর সাধারণত নীরব থাকে। এ পাথর আকারে খুব বড় হলে কিডনির টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কেবল তখনই উপসর্গ দেখা দেয়। কিডনিতে পাথর হলে শতকরা ৭৫ ভাগ ক্ষেত্রে রোগী ব্যথা এবং প্রস্রাবে রক্ত যাওয়ার কথা বলেন। সংক্রমণ থাকলে প্রস্রাবের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।
কিডনি পাথরের ব্যথা নির্ভর করে পাথরের অবস্থানের ওপর। পাথর যদি কিডনিতে থাকে তা হলে ব্যথা অনুভূত হয় পিঠে, পাঁজরের ঠিক নিচে। এ ব্যথা পেছন থেকে সামনে ছড়িয়ে পড়তে পারে। হাঁটাচলায় ব্যথা বেড়ে যায়। বিশেষ করে সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় ব্যথা তীব্র হয়।
পাথর বৃক্কনালিতে থাকলে কোমরের পশ্চাৎভাগে ব্যথা হয় এবং এ ব্যথা সেখান থেকে কুঁচকিতে ছড়ায়। বৃক্কনালিতে পাথর নিচের দিকে নেমে যাওয়ার সময় নালিতে সংকোচন হয় ও ব্যথা করে। হাঁটু গেড়ে বসলে ব্যথা বেড়ে যায়।
ব্যথার সময় রোগীর প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যেতে পারে এবং প্রস্রাব ধোঁয়াটে হতে পারে। পাথর বৃক্কনালিতে আটকে যেতে পারে, তখন নারীদের যৌনাঙ্গে ও পুরুষদের লিঙ্গ মুণ্ডে অথবা অণ্ডকোষে তীব্র ব্যথা করে। রোগীর প্রস্রাব করতে অসুবিধা হতে পারে, প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে অথবা সামান্য পরিমাণ বা ফোঁটায় ফোঁটায় প্রস্রাব হতে পারে। প্রস্রাব খুব যন্ত্রণাদায়ক হয়।
রোগ নির্ণয় করতে
• প্রস্রাব পরীক্ষা
• এক্স-রে KUB
• আলট্রাসনোগ্রাম করা হয় ।
চিকিৎসা
হোমিওপ্যাথিতে এর ভাল চিকিৎসা আছে ।
কি খাবেন আর কি খাবেন না:-
• প্রচুর পরিমাণে তরল খেতে হবে।
• যেসব অসুখে কিডনিতে পাথর হতে পারে তার চিকিৎসা করতে হবে, যেমন : হাইপার প্যারাথাইরয় ডিজম, গাউট, হাইপার ক্যালসেমিয়া সংক্রমণ, সারকয়ডোসিস, অ্যাড্রেনাল ডিসঅর্ডার ইত্যাদি।
• দুধ, পনির ও উচ্চ ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার পরিহার করতে হবে।
• রেডমিট, মাছ প্রভৃতি উচ্চ পিউরিনসমৃদ্ধ খাবার পরিহার করতে হবে।
• সোডিয়াম বাই কার্বোনেট অথবা সাইট্রেট গ্রহণ করতে হবে।
• সালফারসমৃদ্ধ খাবার, যেমন—ডিম, গোশত বা মাছ সীমিত করতে হবে।
• কার্বোহাইড্রেট ও চর্বি সীমিত করার প্রয়োজন নেই। কারণ এগুলো পাথর তৈরি করে না।
প্রচুর পানি পান করতে হবে। কিডনি পাথরের ঝুঁকি কমাতে অন্তত ২.৫ - ৩ লিটার পানি পান করতে হবে। সিস্টাইন পাথরের জন্য ৪ লিটার পানি পান করতে হবে।
চিনিযুক্ত খাবার, ফলের জুস, কফি এবং চা কিডনি পাথরের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে।
মাংস, মাছ, সীফুড, হাঁস এবং ডিম সহ পশু প্রোটিন সীমাবদ্ধ করতে হবে।
প্রতি দিন অ্যানিম্যাল প্রোটিন ২ থেকে ৩ সারভিং এর বেশি গ্রহণ করা যাবে না।
উদ্ভিদ থেকে প্রাপ্ত প্রোটিন যেমন শুকনো মরিচ, মটরশুটি গ্রহণ করতে হবে।
আপনি খাওয়া লবণ (সোডিয়াম)বন্ধ বা এর পরিমাণ সীমাবদ্ধ করুণ।
প্রসেসিং খাদ্য বা প্যাকেটজাত খাদ্য পরিহার করুণ।
ক্যালসিয়ামের পরিপূরক গ্রহণের পরিবর্তে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খান। দুধ এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য, কাঁটা সহ ছোট মাছ খেতে পারেন।
আপনি যদি ভিটামিন সি গ্রহণ করতে চান তবে নিশ্চিত করুন যে আপনি প্রতিদিন 1000 মিলিগ্রাম কম গ্রহণ করছেন। উচ্চ পরিমাণের ভিটামিন সি পাথরের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে।
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন । 
Dr. Faridul Islam Shohag 
D.H.M.S (BHB-Dhaka)
P.D.T (Homeopathic Medicine)
M.P.H (Nutrition). 
Consultant, Homeopathic Medicine & Nutrition.

প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড বৃদ্ধি (Prostatitis)

প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড বৃদ্ধি (Prostatitis)



রাতে একবার বা দুবার প্রস্রাবের জন্য বাথরুমে যাওয়া একটি বিরক্তিকর অবস্থা । অধিকাংশ পুরুষদের জন্য, এই রাতে বাথরুমে যাওয়া প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড বৃদ্ধির প্রথম চিহ্ন হতে পারে। প্রস্টেট একটি সুপারির মতো মাংস পিণ্ড, যা পুরুষের মূত্রথলির সামান্য নীচে অবস্থিত এক টুকরা সুপারির মতো মাংশপিন্ড যার মধ্যে দিয়ে মূত্র নালী প্রবাহমান । এর প্রধান কাজ বীর্যের তরল অংশ তৈরি করে শুক্রাণুর খাদ্যের জোগান দেওয়া।
সাধারণত বৃদ্ধ বয়সেই প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড বৃদ্ধি ও মূত্র নালী সঙ্কীর্ণ হয়।
লক্ষণ বা রোগের উপসর্গসমূহঃ-
* ধীরে ধীরে বা বিলম্বিত মূত্রত্যাগ (A weak or slow urinary stream)
* রাতে ঘন ঘন প্রস্রাবের চাপ (Need to urinate frequently during the night)
* প্রস্রাব করার পরও প্রস্রাবের থলি খালি না হওয়া (Difficulty in emptying the bladder)
* হঠাৎ প্রস্রাবের খুব চাপ (Strong sudden urge to urinate)
* প্রস্রাবের গতি দুর্বল হওয়া ও মাঝপথে বন্ধ হওয়া (A urinary stream that starts and stops)
* প্রস্রাবের বেগ আটকিয়ে রাখা অসম্ভব হওয়া, কাপড় নষ্ট হয়ে যায়, কিছুতেই ধৈর্য ধরা যায় না (Incontinence)
* প্রস্রাব করার পর মুহূর্তেই প্রস্রাবের চাপ (Returning to urinate again minutes after finishing)

যে সব পরীক্ষা করা হয় তা হলো প্রস্রাবের রুটিন, মাইক্রোসকপিক ও কালচার সেনটিভিটি পরীক্ষা, আল্ট্রাসোনোগ্রাম, কে, ইউ, বি এক্সরে-ইউরোফ্লোমেট্রি, সিরাম পি.এস.এ সিসটোমেট্রাগ্রাম বা ইরোডাইনামিক ষ্ট্যাডি, DRE (পায়ুপথে আঙ্গুল দিয়ে প্রস্টেট পরীক্ষা করে প্রস্টেট গ্রন্থির আকার, প্রকৃতি, ধরন এবং কাঠামো সম্পর্কে ধারণা লাভ করা) ইত্যাদি।
চিকিৎসাঃ -
হোমিওপ্যাথিতে প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড বৃদ্ধি বা Prostatitis এর ভাল চিকিৎসা আছে ।


Dr. Faridul Islam Shohag 
D.H.M.S (BHB-Dhaka)
P.D.T (Homeopathic Medicine)
M.P.H (Nutrition).
Consultant, Homeopathic Medicine & Nutrition.

Saturday, December 29, 2018

Osteomalacia বা অষ্টিওম্যালয়েসিয়া

Osteomalacia বা অষ্টিওম্যালয়েসিয়া
Osteomalacia বা অষ্টিওম্যালয়েসিয়া হলে হাড় ক্রমাগত নরম হয়ে যায় । নরম হয়ে বেঁকে যায় আবার ভেঙ্গেও যায় । হাড়ের স্বাভাবিক আকৃতি ও দৃঢ়তার অভাব হলে শিশুদের ক্ষেত্রে হয় Ricket আর বড়দের ক্ষেত্রে বা বয়স্কদের ক্ষেত্রে হয় Osteomalacia বা অষ্টিওম্যালয়েসিয়া ।


Osteomalacia বা অষ্টিওম্যালয়েসিয়া রোগের কারণসমূহ –
Vitamin D এর অভাব এই রোগের সাধারণ ও মূল কারণ । Vitamin D একটি গুরুত্বপূর্ণ nutrient বা পুষ্টি যা Stomach এ Calcium absorb বা শোষণ করতে সহায়তা করে । Vitamin D এছাড়াও রক্তে Calcium ও Phosphate এর মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে । সূর্যালোকের Ultraviolet বা অতিবেগুনী রশ্মির উপস্তিতিতে ত্বকের মাধ্যমে Liver ও Kidney ভালো থাকা সাপেক্ষে Vitamin D তৈরি হয় ।


• খাদ্যে Vitamin D এর অভাব ।
• Parathyroid gland এর ক্রিয়ার গোলমাল ।
• খাদ্যে Calcium এর অভাব ।
• নারীদের বার বার গর্ভধারণ ।
• জন্মগত বিকলাঙ্গ হাড় ।
• গৃহবন্দী ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করা ।
• Liver ও Kidney জনিত রোগী ।
Osteomalacia বা অষ্টিওম্যালয়েসিয়া রোগের লক্ষণসমূহ –
• হাড়ে ফাটল বা Fracture ও মাংসপেশির দুর্বলতা ।
• হাড়ে ব্যথা বিশেষত নিতম্বে । হাড়ে চাপ দিলে ব্যথা অনুভূত হয় ।
• Lower back Pain
• Pelvic Pain
• Leg Pain
• Ribs Pain
এছাড়া যদি রক্তে Calcium এর মাত্রা কম থাকে তবে-
• অনিয়মিত হৃদস্পন্দন
• মুখের চারপাশে অসাড়তা
• হাত ও পায়ে অসাড়তা
• হাত ও পা কাঁপা বা Spasm
চিকিৎসা করালে সুস্থ থাকা যায় ।

Dr. Faridul Islam Shohag 
D.H.M.S (BHB-Dhaka)
P.D.T (Homeopathic Medicine)
M.P.H (Nutrition). 
Consultant, Homeopathic Medicine & Nutrition.

অস্টিওপোরোসিস (Osteoporosis) বা হাড় ক্ষয় (ফাঁপা হাড়)

অস্টিওপোরোসিস (Osteoporosis) বা হাড় ক্ষয় (ফাঁপা হাড়)
অস্টিওপোরোসিস এক ধরনের হাড়ের রোগ যা হাড় ক্ষয় হয়ে দুর্বল হয় এবং ভেঙ্গে যায় । দুই - একটি হাড় ক্ষয় হয়ে দুর্বল হয় । কখনও কখনও সারা দেহের হাড় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে এটাকে Generalised Osteoporosis বলে । বিশ্বে প্রথম কয়েকটি মারাক্তক রোগের ভেতর অস্টিওপোরোসিসের অবস্থান তৃতীয় ।
Local অস্টিওপোরোসিস নানা কারণে হতে পারে –
• Inflammation বা Tumour এর কারণে এটি হতে পারে ।
• জন্মগত (Congenital) ভাবে দেহে ক্যালসিয়ামের অভাব ।
• নানা রোগের কারণে কোন নির্দিষ্ট অস্থির দুর্বলতা ।
• দীর্ঘদিন কোন রোগে শয্যাশায়ী থাকা ও তার জন্য নির্দিষ্ট হাড়ের দুর্বলতা ।
• সুষম খাদ্য অর্থাৎ ভিটামিন D এবং ক্যালসিয়ামের অভাব ।




সারা দেহে অস্টিওপোরোসিস হলে সারা দেহের হাড় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে এবং ভঙ্গুর হয়ে যায় । নানা কারণে এটি হতে পারে -
• অন্তঃস্রাবী গ্রন্থি নিঃসৃত হরমোনের সল্পতা ।
• জননতন্ত্রের ক্ষমতার স্বল্পতার জন্য জন্মগত কারন বা Hypogonadism
• Adrenal gland এর রস নিঃসরণ বেশি হলে ।
• Cushing syndrome
• Corticosteroids side effects
• Pituitary acromegaly Disease
• Thyroid Hormone নিঃসরণ বেশি হলে ।
• Hyperparathyroidism ( Parathyroid Gland এর অতিক্রিয়া )
• Sex Hormones ( Oestrogen & Testosterone) এর সল্পতা
• খাদ্যে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিনের অভাব ।
• Pregnancy & Menopause এর সময় ।
• বার্ধক্য জনিত কারনে - Bone marrow শুকিয়ে যায় ও রক্তসঞ্চালনে বাধা হয় ।
• দীর্ঘদিন কোন রোগের কারণে অনড় হয়ে পড়ে থাকলে ।
• বংশগত ইতিহাস ।
• Hip Fracture এর ইতিহাস ।
• Body mass index (BMI) ১৯ এর কম হলে ।
• Rheumatoid arthritis
• অতিরিক্ত ধূমপান ও মদ্যপান ।
রোগের কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা করলে সুফল হয় ।

Dr. Faridul Islam Shohag 
D.H.M.S (BHB-Dhaka)
P.D.T (Homeopathic Medicine)
M.P.H (Nutrition). 
Consultant, Homeopathic Medicine & Nutrition.

মেয়েদের মুখে বা শরীরে ছেলেদের মত লোম হারসুটিজম (Hirsutism) !!




মেয়েদের মুখে বা শরীরে ছেলেদের মত লোম হারসুটিজম (Hirsutism)
মেয়েদের মুখে যদি ছেলেদের মত লোম গজাতে শুরু করে, তবে তা খুব বিব্রতকর ই বটে। শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যই নয়, শরীরের অনেক রোগের কারণেও এমন অবস্থা হতে পারে।মেয়েদের ঠোঁটের ওপর, চিবুক, বুক, পেট বা পিঠে যদি তুলনামূলক মোটা, কালো কখনো বা একটু ঘন লোম দেখা দেয়, তাতে যেকোনো মেয়েই বিব্রত এবং দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। নারীদের অবাঞ্ছিত লোম বৃদ্ধিকে হারসুটিজম (Hirsutism) বলা হয়।
এ সমস্যা খুব বিরল কিছু নয়। বয়ঃসন্ধিকালে (Puberty) মেয়েরা এই অবাঞ্ছিত লোম সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। তবে Heredity বা বংশগত (পারিবারিক ইতিহাস), গোত্র বা জাতিভেদে এর তারতম্য দেখা যায়। স্থূল বা Over weight মেয়েদের এ সমস্যা বেশি হয়।
কীভাবে অবাঞ্ছিত লোম তৈরি হয়?
মেয়েদের শরীরে স্বাভাবিকভাবে Endogen (এন্ড্রোজেন) বা পুরুষালি হরমোনের পরিমাণ খুব অল্প। কিন্তু কখনো Ovary (ডিম্বাশয়) বা Adrenal gland (এডরেনাল গ্রন্থি) থেকে এই Endogen (এন্ড্রোজেন) অধিক পরিমাণে তৈরি হলে বা Endogen (এন্ড্রোজেন) অধিক কার্যকারিতার কারণে এই Hirsutism (হারসুটিজম) দেখা দিতে পারে।
বিভিন্ন কারণে পুরুষ হরমোন Endogen (এন্ড্রোজেন)এর আধিক্য হয় মেয়েদের রক্তে।
– সাধারণত Menopause (মেনোপজ) হয়ে গিয়েছে বা হচ্ছে এই সময়টা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। Menopause (মেনোপজ) হল যখন মাসিক একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। এই সময়ে হরমোন পরিবর্তন হয়ে যায়, তাই ঝুঁকি বেশি। তবে যে কোন বয়সেই এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।
– অবিবাহিত মহিলাদের মাসিকের অনিয়মিত অবস্থাও এর সাথে বিদ্যমান থাকতে দেখতে হবে।
– বিবাহিত হলে অনিয়মিত মাসিকের সাথে সন্তান হওয়া বা না হওয়ার সম্পর্ক জড়িত থাকে। সেক্ষেত্রে ও রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা নিতে হবে।
কারণগুলো হলো:
• Pelvic Inflammatory Disease (P.I.D) পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রম- ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে অবাঞ্ছিত লোমের কারণ এটি। অবাঞ্ছিত লোম বৃদ্ধির পাশাপাশি মুখে ব্রন, মাথার চুল পরা, ঘাড়ে কালো দাগ, ওজন বৃদ্ধি, অনিয়মিত মাসিক, গর্ভধারণে সমস্যা, উচ্চ রক্তশর্করা-কোলেস্টরল, উচ্চ রক্তচাপ, Ovarian Cyst (ডিম্বাশয়ে সিস্ট) ইত্যাদি থাকতে পারে।
• অনেক সময় সুনির্দিষ্ট কারণ অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরও পাওয়া যায় না। পারিবারিক ইতিহাস থাকে বা Over weight (স্থূল) মেয়েদের ক্ষেত্রে দেখা দেয়।
• Ovary (ডিম্বাশয়) এবং Adrenal gland (এডরেনাল গ্রন্থি) টিউমার বা Hyperplassia (হাইপারপ্লাসিয়া)- এ রকম টিউমার থেকে অত্যধিক পরিমাণ Endogen (এন্ড্রোজেন) হরমোন নিঃসরণের জন্য গলার স্বর পরিবর্তিত হতে পারে, শরীরের গঠন বা মাংসপেশির পুরুষালি পরিবর্তন ঘটে, এমনকি জননেন্দ্রিয়েরও পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।
• অন্যান্য হরমোনজনিত রোগ- Thyroid gland (থাইরয়েড)এর সমস্যা,
Cushing's syndrome (কুসিংস সিনড্রম), Ecromegaly (এক্রোমেগালি),Prolactinoma (প্রোলেকটিনোমা),Insulin resistance syndrome (ইনসুলিন রেজিসটেন্স সিনড্রম) ইত্যাদি কারণে এই অবাঞ্ছিত লোম বৃদ্ধি জনিত সমস্যা হতে পারে। তবে এগুলো বিরল সমস্যা।
• ওষুধ- ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়ও এ সমস্যা হতে পারে। যেমন Steroids drugs (স্টেরয়েড), Danazol (ডেনাজল), Minoxidil (মিনোক্সিডিল), Metoclopramide (মেটোক্লোপ্রামাইড), Methyldopa (মিথাইলডোপা), Phenothiazines (ফেনোথায়াজিন), Progesterone (প্রজেস্টেরন) ইত্যাদি।
চিকিৎসকের পরামর্শ –
১) লোম খুব দ্রুত হারে বাড়তে থাকলে।
২) আরও কিছু পুরুষদের লক্ষণ বিদ্যমান থাকলে, যেমন - কণ্ঠস্বর পরিবর্তন, ব্রণ হওয়া, পেশি বেড়ে যাওয়া, Breast (স্তন) ছোট হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
৩) সাথে যদি পিরিয়ডের সমস্যা থাকে।
রোগ নির্ণয়-
ব্লাড টেস্ট করে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব। কিছু হরমোন লেভেল দেখতে হয়।
যেমন –
– Testosterone
– Dehydroepiandrosterone sulfate (dhea-s)
– Luteinizing hormone (LH)
– Follicle stimulating hormone (FSH)
– Prolactin
– 17-hydroxyprogesterone

চিকিৎসাঃ -
হোমিওপ্যাথিতে হারসুটিজম (Hirsutism) এর ভাল চিকিৎসা আছে ।
কারণ নির্ধারণ এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয় ।
ওজন কমানো অত্যন্ত জরুরি।
High blood sugar (উচ্চ রক্তশর্করা), Cholesterol (কোলেস্টরল) বা High blood pressure (উচ্চরক্তচাপ) হলে চিকিৎসা নিন ও ডায়েট মেনে চলুন।

Dr. Faridul Islam Shohag 
D.H.M.S (BHB-Dhaka)
P.D.T (Homeopathic Medicine)
M.P.H (Nutrition). 
Consultant, Homeopathic Medicine & Nutrition.

পলিসিস্টিক ওভারী সিন্ড্রোম Polycystic Ovary Syndrome (PCOS) বা Stein Leventhal Syndrome

পলিসিস্টিক ওভারী সিন্ড্রোম Polycystic Ovary Syndrome (PCOS)
বা Stein Leventhal Syndrome
রোগটি মহিলাদের Hormonal Imbalance এর জন্যই দেখা দেয়। একে Polycystic Ovary Syndrome ছাড়াও Stein Leventhal Syndrome নামেও ডাকা হয়। Hormonal Endocrine Disorder এর কারণে এই রোগটি হয়ে থাকে।
এই রোগটি হলে মহিলাদের ঋতুস্রাবের গোলযোগ এবং বাচ্চা না হওয়া বা Sterility দেখা যায়। PCOS হলে চেহারার পরিবর্তন ও হতে পারে। যদি এই সমস্যার সমাধান না করা যায় তাহলে স্বাস্থ্যের বড় সমস্যা দেখা যায়।

যেমন ---
Type 2 ডায়াবেটিস, হার্টের রোগ, উচ্চ Cholesterol, উচ্চ রক্তচাপ সহ বিভিন্ন ঝুঁকিতে পরতে পারে।
অনেক নারী ওজন বৃদ্ধি বা স্থুলতায় ভুগতে পারে আবার অনেকে খুব রোগা হয়ে যেতে পারে।
বেশীর ভাগ নারীদের ওভারীতে একাধিক সিষ্ট হয়। এই সিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ নয়, কিন্তু Hormonal Imbalance টাই সমস্যা – এটা PCOS এর একটি নির্দেশক লক্ষণ।
দ্রুত রোগনির্ণয় এবং চিকিৎসা করে বিভিন্ন লক্ষণ ও উপসর্গ দূর করতে পারে।
হরমোন রাসায়নিক বার্তা পাঠায় - বৃদ্ধি ও শক্তি উৎপাদনের জন্য, এছাড়াও এক হরমোন অন্য হরমোন Secretion করার জন্য সংকেত পাঠায়।
এ সকল কারণে, PCOS হলে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক থাকে না, এক হরমোন চেঞ্জ হলে অন্য হরমোন চেঞ্জ হয়ে যায়।

যেমন –
• সাধারণত ওভারীদ্বয় কিছু মাত্রায় Androgens উৎপন্ন করে, সেক্স হরমোনের ভারসাম্য যদি না ঠিক থেকে Androgens উৎপাদন বৃদ্ধি হয় তবে ওভারীতে ডিম্ব উৎপাদন বন্ধ হতে পারে, অতিরিক্ত ব্রন হতে পারে, উচ্চ Testosterone এর ফলে শরীর বা মুখে পুরুষের মত মোটা কাল কাল লোম দেখা দিতে পারে (Hirsutism)।
• শরীরে Insulin এর সমস্যা হয়ে Insulin Resistance হতে পারে। যখন শরীর Insulin ঠিকমত ব্যবহার করতে না পারে তখন Blood Sugar বেড়ে যায়। এভাবেই ডায়াবেটিস দেখা দিতে পারে।
PCOS এর কারণ সম্পূর্ণরূপে বোঝা যায় না, কিন্তু জেনেটিক্স একটা কারণ হতে পারে। আর একারণে তা ফ্যামিলিতে অন্য কারও দেখা যেতে পারে। তাই পরিবার বা বংশের কারও থাকলে অন্যজনের দেখা যায়। যেমন - Irregular Periods/Menstrual Problem বা ডায়াবেটিস।



বাবা বা মায়ের Family থেকে হতে পারে।
কিছু লক্ষণ প্রথমত দেখা দিতে পারে, ধীরে ধীরে আরও কিছু বা প্রচুর লক্ষণ দেখা দিতে পারে। যেমন—
• Acne বা ব্রণ।
• পর্যাপ্ত পরিমাণে ওজন বৃদ্ধি বা ওজন অত্যাধিক কমে যাওয়া।
• মুখে, শরীরে বাড়তি লোম দেখা যাওয়া। কিছু কিছু সময় মহিলাদের মুখে ও শরীরে মোটা এবং কালো কালো লোম দেখা যায়। তাছাড়াও বুক, পেট, পিঠে এবং হাত-পায়ে প্রচুর পরিমাণে মোটা এবং কালো কালো লোম দেখা যায়।
• মাথার চুল পাতলা হয়ে যায় বা টাক দেখা যায়।
• Irregular Periods – কিছু সময় PCOS এ ভোগা নারীদের বৎসরে ৯ বার বা তারও কম মাসিক হতে দেখা যায়। আবার কিছু মহিলাদের ঋতুস্রাব একেবারেই দেখা যায় না। অন্যদিকে অনেকের অতিরিক্ত পরিমাণে রক্তস্রাব হয়।
• Fertility Problems or Infertility – অনেক মহিলারা PCOS এর কারণে গর্ভধারণ করতে পারেনা বা বন্ধ্যা হয়ে পরে।
• Depression বা বিষাদগ্রস্থতায় ভোগে।
আমাদের হোমিওপ্যাথিতে পলিসিস্টিক ওভারী সিন্ড্রোম (PCOS) এর সুচিকিৎসা আছে।

Dr. Faridul Islam Shohag 
D.H.M.S (BHB-Dhaka)
P.D.T (Homeopathic Medicine)
M.P.H (Nutrition). 
Consultant, Homeopathic Medicine & Nutrition.

ক্যালসিয়াম (Calcium) সমাচার!!

ক্যালসিয়াম সমাচার!! অনেক মানুষ মুড়ির মত যে ওষুধগুলো খায়, তার মধ্যে ক্যালসিয়াম (Calcium) ট্যাবলেট একটি। শরীরে ক্যালসিয়ামের ভূমিকা সুবিস্তৃত। ...